বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ায় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে কালো পতাকা মিছিল


 স্টাফ রিপোর্টার = জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে অবৈধ সংসদ গঠন করার প্রতিবাদে দেশব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসাবে কুষ্টিয়ায় ১৯ দলীয় জোটের কালো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে মিছিলটি কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমী চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদিণ করে বড় বাজার রেল গেটে সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলের শুরুতেই পুলিশ কালো পতাকা ব্যবহারে বাধা প্রদান করে। বাধা উপেক্ষা করে কালো পতাকা মিছিল করে নেতৃবৃন্দ। মিছিলে বিএনপি, জামায়াত, যুবদল, ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী ছাড়াও মিছিলে অংশ গ্রহণ করেন ১৯ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ। 

শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৪

ফারাজী মুন্সীর দরবার

কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক কুষ্টিয়ার দিগন্ত পত্রিকায় নিয়মিত বিভিন্ন বিভাগে লেখকদের লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। এর মধ্যে সাহিত্য ও সংস্কৃতি পাতায় নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে মানবজীবনের সকল সমস্যার সমাধান নিয়ে ফারাজী সন্সীর দরবার। এ দরবারে নিয়মিত বসছে
সকলের আসর। সকল ধরনের প্রশ্নের বিজ্ঞ জবাব দিচ্ছেন ফারাজী মুন্সী। আপনার যে কোন সমস্যার সমাধান চেয়ে প্রশ্ন করুন 

 kushtiardiganta@gmail.com
উত্তর দিবেন ফারাজী মুন্সী।
দেখুন www.kushtiardiganta.blogspot.com

বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ার আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥
কুষ্টিয়ায় ভালো নেই আশ্রয়ন প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা। এসব আশ্রয়ন প্রকল্পে নানা অনিয়মের ফলে অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত এখানে বসবাসকারীরা। ফলে ভাসমান মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন তো ঘটেইনি বরং তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। অনেকই আশ্রয়ন প্রকল্পে আসার পর পালিয়ে গেছে। জানা যায়, কুষ্টিয়া জেলায় ৬ উপজেলায় মোট আশ্রয়ন প্রকল্পের সংখ্যা ২৭টি। আর গুচ্ছ গ্রাম ১৬টি। আর বাস্তবায়নের পথে ২টি। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আশ্রয়ন প্রকল্প গুলো হচ্ছে গড়াই-১, চৌড়হাস, আলামপুর-১ ও জুগিয়া। এছাড়াও এই উপজেলায় জগতি নামে একটি গুচ্ছগ্রাম রয়েছে।

রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ার চাপড়ায় চর দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চর দখলকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া কুমারখালীর চাপড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংর্ঘষে আইনাল হক (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১২ জন। রেবাবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের চর চাপড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এলাকাবাসী জানায়, গত বছর চর চাপড়া গ্রামে চরদখলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আকবর আলী মেম্বর ও নেহের আলী-বদি হোসেন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একটি হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল। এর জের ধরে ওই দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে আকবর আলী মেম্বর ও নেহের আলী-বদি হোসেন গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষ হয়। সংঘর্ষে প্রতিপরে আঘাতে নহের আলী-বদি হোসেন গ্রুপের সমর্থক আইনাল হক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। তারা গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। রাতেই মৃতদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। আইনাল শেখ চড়চাপড়া গ্রামের নিহত মৃত রিয়াজ উদ্দিন শেখের ছেলে।

শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ায় শিবিরের শীতবস্ত্র বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ায় এলাকার দুঃস্থ অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে ছাত্র শিবির। গতকাল শনিবার বিকালে কুষ্টিয়া শহরে শিবিরের জেলা শাখার আয়োজনে কম্বল, চাঁদরসহ এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণ করেন শিবিরের কেন্দ্রিয় মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন শিবিরের কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি রেজাউল করিম নয়ন, শহর সভাপতি সোহেল রানা,

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪

অগ্নিদগ্ধ রাখীর পাশে দাড়ালেন গড়াই স্টুডেন্টস ফোরাম

স্টাফ রিপোর্টার ॥ গরীব রিকশা চালকের ৬ বছরের কন্যা শিশু রাখী। চিকিৎসার অভাবে ধুকে ধুকে অসহনীয় যন্ত্রনায় ছটফট করছিল। এমতাবস্থায় তার পাশে এগিয়ে আসে কুষ্টিয়ার গড়াই স্টুডেন্টস ফোরাম। তার সকল ব্যয় ভার গ্রহণ করেছে তারা। এ মানবসেবার জন্য তারা সকলের প্রশংসা অর্জন করেছে।
জানা যায়, গত ২৭ ডিসেম্বর রাখীর শরীরের প্রায় ৬০% অংশ আগুনে পুড়ে যায়। বেশ কিছু দিন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা হওয়ার পর তার শারিরীক উন্নতি না হওয়ায় ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। কিন্তু রাখীর পিতার সে সমর্থন নেই। তাই উন্নত চিকিৎসার অভাবে রাখী চিকিৎসার অভাবে অসহনীয় জ্বালা যন্ত্রনায় ভূগছিল। এমতাবস্থায় তার চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসে কুষ্টিয়ার গড়াই স্টুডেন্টস ফোরাম । উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে বার্ন ইউনিট এ ভর্তি করে। রাখীকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করছে গড়াই স্টুডেন্টস ফোরাম। রাখীর ঢাকার চিকিৎসার সর্বপ্রকার খরচের দায়িক্ত নিয়েছেন গড়াই স্টুডেন্টস ফোরামের আমেরিকার সহযোগি রেইনার এবার্ট ও ড.মাকসুদ আফরোজ। রাখীকে এতো বড় সহযোগিতা করার জন্য গড়াই স্টুডেন্টস ফোরামের সকল সদস্য সদস্যাবৃন্দ রেইনার এবার্ট ও ড.মাকসুদ আফরোজ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

কুমারখালীতে ইমামদের সাথে নাটাব এর মতবিনিময়

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বাংলাদেশ জাতীয় যা নিরোধ সমিতি (নাটাব) এর সাথে যা নিয়ন্ত্রন ও সচেতনতার লে ইমামদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ জানুয়ারী দুপুরে শহরের কাজীপাড়া ইসলামীক ফাউন্ডেশনের শিশু শিক্ষা প্রকল্পের বিদ্যালয়
কেন্দ্রে এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসার আব্দুস সালম।
জাতীয় ইমাম সমিতির নির্বাহী সদস্য হাকীম আব্দুল কুদ্দুস এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে’র মেডিকেল অফিসার ডা: পরীক্ষিত পাল ও নাটাব কুষ্টিয়ার সহ-সভাপতি রফিকুর ইসলাম টুকু। মতবিনিময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের বাছাইকৃত ২৫জন ইমাম অংশ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও নাটাব এর ফিল্ড লেভেল স্টাফ বিধান কুমার দত্ত।

কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে যা রোগীর সংখ্যা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে যা রোগীর সংখ্যা। গত এক বছরে ২২৯৮ জন রোগী সনাক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় যা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় কুষ্টিয়া ব ব্যাধি কিনিক ও ব্র্যাক যৌথভাবে কুষ্টিয়ার ৬টি উপজেলায় কাজ করার কথা থাকলেও তাদের তৎপরতা জনসাধারণের উপর পড়ছে না বলে অভিযোগ করেছে জেলার সুশীল সমাজ। ব্র্যাক কিছুদিন গ্রাম ও শহরে কাজ করলেও এখন তাদের কার্যক্রম সভা-সমাবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে। ফলে সংশ্লিষ্টরা যা রোগ সম্পর্কে কার্যক্রম গ্রহণ না করায় রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, জেলার ৬টি উপজেলা ও সিডিসিভুক্ত পৌর এলাকা ২০১৩ সালে সর্বমোট ২২৯৮জন রোগীকে সনাক্ত করে তাদের বিভিন্ন পরীা-নিরিা করে আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে কুষ্টিয়াসহ ৫টি সিডিসিভুক্ত পৌর এলাকায় ৯৯ জন। কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ৩৯৩ জন, কুমারখালী ৩৭১ জন, খোকসায় ২১৫ জন, মিরপুরে ৪২০ জন, ভেড়ামারায় ২৪০ এবং দৌলতপুর উপজেলায় ৬৬০ জন বিভিন্ন ধরনের যায় আক্রান্ত হয়েছেন। কুষ্টিয়া ব ব্যাধি কিনিকের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ হালিমা খাতুন জানান, এসব রোগীদের তিনটি কোয়ার্টারে ভাগ করে কাশি সংগ্রহ করে বিভিন্ন পরীা-নিরীার পর প্রয়োজনে রোগীর ধরন বুঝে এক্স-রে করিয়ে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়। বর্তমানে কিনিকে ইউএস এইডের দেয়া মাল্টি ড্রাগস রেজিষ্টেন্ট (এমডিআর) কাশি পরীার আধুনিক দুটি যন্ত্র দিয়ে মাত্র ২ঘন্টায় রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। যেহেতু নিজেদের এক্স-রে মেশিন বিকল তাই পৌরসভার বাইরের রোগীদের এক্স-রে খরচ বহন করে ব্র্যাক।
ব্র্যাক সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৬টি উপজেলায় ব্র্যাকের ৩৫টি কেন্দ্র রয়েছে। এদের কর্মীসংখ্যা ৪২। স্বাস্থ্যসেবিকা ডটস কার্যক্রমে রয়েছে ১২৬৩ জন। স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছে ৭৯ জন। প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও বুধবার গ্রামে গঞ্জে রোগীর কাশি সংগ্রহ চলে। এটা পরীা-নিরীার জন্য কমিউনিটি সেন্টার অথবা এফডাবিউসিতে জমা দেয়া হয়। এছাড়াও জেলায় ব্র্যাকের মোট ১২টি ল্যাব রয়েছে। এর মধ্যে ৪টি ল্যাব রয়েছে ভ্রাম্যমাণ। এরা সাটেলাইট সেবা প্রদান করে থাকে। কাশি থেকে রোগ ধরা পড়লে তখন ওই রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এরপর ব্র্যাকের ডটস পদ্ধতিতে ৬ মাস চিকিৎসা প্রদানের মধ্যদিয়ে রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা হয়। সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় যা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও ব্র্যাক যৌথভাবে কুষ্টিয়ার প্রতিটি অঞ্চলে কাজ করে যাচ্ছে। ফলে বর্তমানে যা রোগ এখন আর আতঙ্কের কিছু নয় বলে তাদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া যায়। তবে যার ওষুধের জন্য গবেষক, চিকিৎসককে যুগ যুগ ধরে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। আর যা নামের এই ব্যাধি মানবজীবন থেকে কেড়ে নিয়েছে অনেক মূল্যবান প্রাণ। অনেকের প্রিয়জন চলে গেছে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে। মানুষ যা থেকে রার মুক্তির পথ খুঁজেছে বছরের পর বছর ধরে। সভ্যতার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা জগতেও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। যায় যতটা না তি হয়েছে তার চেয়ে বেশি তি হয়েছে সমাজের মধ্যে সুদীর্ঘকাল ধরে যে কুসংস্কার, অপচিকিৎসা, অশিা-কুশিার ফলে। মূলত কুসংস্কার ও মানুষের মধ্যে এই রোগ সম্পর্কে যে ভীতি ছিল তা কুরে কুরে খেয়েছে মানব সভ্যতাকে।
যা রোগ নিয়ন্ত্রণে গত কয়েক বছর ব্র্যাক তাদের তৎপরতা নিয়ে জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে কাজ শুরু করেছিল। গণসচেতনতা তারা বেশ সাড়া ফেলেছিল কিন্তু গত বছর তাদের কার্যক্রম খুব একটি প্রভাব ফেলতে পারেনি। তাদের কর্মকান্ড এখন সভা আর সমাবেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণেই জেলায় যা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যা রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি ও অন্যান্য সংস্থা সংগঠন এগিয়ে আসবেন এ দাবী জেলার সুশীল সমাজের।

কুষ্টিয়াসহ দণি-পশ্চিমাঞ্চলের দেড় শতাধিক অস্ত্র লুট মামলা ফাইল বন্দী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সন্ত্রাসের জনপদ কুষ্টিয়াসহ দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের হাতে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে তেমন কোনো বড় সফলতা দেখাতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী। অস্ত্র লুটে
র দেড় শতাধিক মামলাও দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে ফাইল বন্দী।
তথ্য সুত্রে জানা যায়, সন্ত্রাস কবলিত অঞ্চল কুষ্টিয়ায় ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পুলিশ ও আনসারের মোট ১৩৭টি আগ্নেয়াস্ত্র লুণ্ঠিত হয়েছে। অস্ত্র লুটের সময় চরমপন্থীরা হত্যা করেছে পুলিশ ও আনসারের ৮ সদস্যকে। এসব হত্যাকা-ে জড়িতদের ধরতেও ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। এ ঘটনায় করা মামলাগুলো প্রয়োজনীয় তদন্ত ও স্যা প্রমাণের অভাবে বছরের পর বছর ফাইল বন্দী রয়েছে। একের পর এক অস্ত্র লুটের ঘটনায় জড়িত নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠনগুলোর সদস্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায়

বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ায় এক বছরে ৩৬ নারী খুন: ২০ জন ধর্ষিত


স্টাফ রিপোর্টার ॥ নারীদের জন্য আতঙ্কের জন পদ কুষ্টিয়া। ঘরে বাইরে সবখানেই অনিরাপদ কুষ্টিয়ার নারীরা। উদ্বেগ জনক হারে বেড়েছে, খুন, ধর্ষন, নির্যাতনসহ নানা ধরনের সহিংস মুলক ঘটনা। যৌতুকের কারনে হত্যা, পারিবারিক বিরোধের জেরধরে হত্যা, নির্যাতনের পর হত্যা, ধর্ষন করে হত্যাসহ বিভিন্ন কায়দায় গত এক বছরে কুষ্টিয়ায় ৩৬ নারী খুন ও ২০ নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। হত্যকান্ড থেকে বাদ পড়েনি নিস্পাপ শিশু, বুদ্ধা কিংবা যুবতী কেউ। আবার এসব নারীদের মধ্যে কেউ কেউ হয়েছেন অপরাধীদের লালসার শিকার। হত্যকান্ডের পর শরীরের বিভিন্ন অংশ খন্ড বিখন্ডের ঘটনাও রয়েছে। অনেক সময় শ্বাসরোধে হত্যার পর আতœহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া ঘটনাও নেহাত কম নয়। প্রাপ্ত তথ্য মতে জেলায় গত এক বছরে জেলায় ৩৬ জন নারী হত্যাকান্ডের শিকার এবং ২০জন নারী ধর্ষিত হয়েছে। সুত্র জানায়, ২৫ জানুয়ারি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ১২ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব।
শনিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব অস্ত্রসহ ওই আসামীকে আটক করে।
র‌্যাব-১২ জানায়, র‌্যাব‐১২, সিপিসি‐১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানাধীন বড়বড়ি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে বড়বড়ি ও খলিশাকুন্ডি গ্রামের চলমান মাটির রাস্তার ডুমুরতলা নামক স্থানে কাচা রাস্তার উপর হতে অস্ত্র ব্যবসায়ী মোঃ রইলদ্দিন (৩৯), পিতা মোঃ তাহির উদ্দিন, সাং-বড়বড়ি, থানাঃ মিরপুর, জেলাঃ কুষ্টিয়াকে বিদেশী তৈরী ০১ (এক) টি সিলভার রংয়ের ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ০১ (এক) টি ম্যাগাজিন, ০৩ (তিন) রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ গ্রেফতার করে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার খোকসায় বিএনপির বিােভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

খোকসা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খোকসায় থানা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিােভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে থানা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে খোকসা থানা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলীর সভাপতিত্বে

আজ পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাঃ)

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আজ মঙ্গলবার ১২ রবিউল আউয়াল। বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারী রহমাতুল্লিল আলামিন সাইয়েদুল মুরসালিন খাতামুন্নাবিয়ীন তাজদারে মদীনা জগৎকুল শিরোমণি সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস। এ দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাঃ) নামে পরিচিত। আজ থেকে ১৪শ’ ৪৩ বছর পূর্বে ৫৭০ খৃস্টাব্দে এ দিনে সুবহে সাদেকের সময় মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমেনার গর্ভে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পূর্বেই তিনি পিতৃহারা হন এবং জন্মের অল্পকাল পরই বঞ্চিত হন মাতৃস্নেহ থেকে। অনেক দুঃখ, কষ্ট ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চাচা আবু তালিবের আশ্রয়ে বড় হয়ে ওঠেন। চল্লিশ বছর বয়সে

শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ১৮ দলীয় জোটের বিােভ সমাবেশ

সংখ্যালঘুদের উপর বিএনপি-জামায়াত নয়, আওয়ামীলীগই হামলা ও লুটপাট করছে
-আব্দুল ওয়াহেদ
৫ জানুয়ারীর প্রহসনের নির্বাচন করে মহাজোটের মতায় থাকার কোন সুযোগ নেই
-অধ্য সোহরাব উদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রহসনের নির্বাচন বাতিল, নেতা-কর্মী হত্যা, মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতার নির্যাতনের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসাবে কুষ্টিয়া শহর ও সদর থানা ১৮ দলীয় জোটের উদ্যোগে বিােভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে সদর উপজেলা মোল্লাতেঘরিয়া মোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জেলা ১৮ দলীয় জোটের যুগ্ম আহবায়ক সদর থানা ১৮ দলীয় জোটের আহবায়ক সাবেক এমপি অধ্য সোহরাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমীর জেলা ১৮ দলীয় জোটের যুগ্ম আহবায়ক সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াহেদ। সদর থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মজমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাড.

কুষ্টিয়ার খোকসায় বিএনপির বিােভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

খোকসা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খোকসায় থানা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিেভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে থানা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে খোকসা থানা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক, কুষ্টিয়ার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের বাসভবন ল্য করে ককটেল বিস্ফোরন ॥ আহত-২

ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, কুষ্টিয়া-২ ভেড়ামারা –মিরপুর আসনের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের বাস ভবন ল করে ককটেল’র বিষ্ফোরন ঘটিয়েছে দৃবৃত্তরা। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। বিষ্ফোরিত ককটেলের ¯পীলিন্টারে ২ শিশু তানভীর (৬) ও রফিক (৫) আহত হয়। পরে ভেড়ামারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আলামত উদ্ধার করে। অপর দিকে ভেড়ামারা পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী নুর ইসলামের বাসভবনের সামনে ৪টি ককটেল বিষ্ফোরন ঘটায় দূর্বৃত্তরা।

পরিবেশ দূষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিােভ মিছিল কুষ্টিয়ার বল্লভপুরে অপরিকল্পিতভাবে অটোরাইচ মিল গড়ে তোলায় জনদূর্ভোগ বেড়েছে

   
স্টাফ রিপোর্টার ॥ চাউলের সুপ্রসিদ্ধ মোকাম হিসাবে খ্যাত কুষ্টিয়ার আইলচারা, বল্লভপুর ও খাজানগরের চাউল। এ চাউলের চাহিদার কারণেই এখানে গড়ে উঠেছে অনেক অটো রাইচ মিল ও ধান চাতালের মিল। এসব মিল কলকারখানা স্থাপনে পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়মনীতি তোয়াক্কা করে গড়ে তুলেছে মিল কলকারখানা। অপরিকল্পিত ওইসব মিল কারখানার বর্জ্য, ধুলো ময়লা, তুষ ছাই উড়ে আবাসিক ঘরবাড়িতে পড়ে এলাকার পরিবেশ দারুণভাবে বিঘিœত হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে ও পরিবেশ দূষণরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে মানববন্ধন ও বিােভ মিছিল করেছে আইলচারার বল্লভপুরের গ্রামবাসী।

কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব

  স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব।
শনিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব অস্ত্রসহ ওই আসামীকে আটক করে।
র‌্যাব-১২ জানায়, র‌্যাব‐১২, সিপিসি‐১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানাধীন বড়বড়ি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে বড়বড়ি ও খলিশাকুন্ডি গ্রামের চলমান মাটির রাস্তার ডুমুরতলা নামক স্থানে কাচা রাস্তার উপর হতে অস্ত্র ব্যবসায়ী মোঃ রইলদ্দিন (৩৯), পিতা মোঃ তাহির উদ্দিন, সাং-বড়বড়ি, থানাঃ মিরপুর, জেলাঃ কুষ্টিয়াকে বিদেশী তৈরী ০১ (এক) টি সিলভার রংয়ের ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ০১ (এক) টি ম্যাগাজিন, ০৩ (তিন) রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ গ্রেফতার করে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ায় এক বছরে ৩৬ নারী খুন: ২০ জন ধর্ষিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নারীদের জন্য আতঙ্কের জন পদ কুষ্টিয়া। ঘরে বাইরে সবখানেই অনিরাপদ কুষ্টিয়ার নারীরা। উদ্বেগ জনক হারে বেড়েছে, খুন, ধর্ষন, নির্যাতনসহ নানা ধরনের সহিংস মুলক ঘটনা। যৌতুকের কারনে হত্যা, পারিবারিক বিরোধের জেরধরে হত্যা, নির্যাতনের পর হত্যা, ধর্ষন করে হত্যাসহ বিভিন্ন কায়দায় গত এক বছরে কুষ্টিয়ায় ৩৬ নারী খুন ও ২০ নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। হত্যকান্ড থেকে বাদ পড়েনি নিস্পাপ শিশু, বুদ্ধা কিংবা যুবতী কেউ। আবার এসব নারীদের মধ্যে কেউ কেউ হয়েছেন অপরাধীদের লালসার শিকার। হত্যকান্ডের পর শরীরের বিভিন্ন অংশ খন্ড বিখন্ডের ঘটনাও রয়েছে। অনেক সময় শ্বাসরোধে হত্যার পর আতœহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া ঘটনাও নেহাত কম নয়। প্রাপ্ত তথ্য মতে জেলায় গত এক বছরে জেলায় ৩৬ জন নারী হত্যাকান্ডের শিকার এবং ২০জন নারী ধর্ষিত হয়েছে। সুত্র জানায়, ২৫ জানুয়ারি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ১২ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ইউসুফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীর মৃত লাশ উদ্ধার করা হয় একটি ইট ভাটার পুকুর থেকে। ১ ফেব্রুয়ারী কুমারখালিতে নাসিমা খাতুন (২৫) নামের এক গৃহবধুকে যৌতুকের দাবিতে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠে।

কুষ্টিয়ায় এক বছরে ৬৭৩ অগ্নিকান্ড

কুদরতে খোদা সবুজ, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় এক বছরে ৬৭৩টি অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। বেশির ভাগ ঘটনার েেত্রই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে গ্রাম এলাকার তামাকচুল্লি ও পানের বরজের পাটকাঠির বেড়া থেকে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রামগঞ্জের জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা না থাকায় অগ্নিকা-ের ঘটনা বেশি ঘটছে। কুষ্টিয়ার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয় থেকে জানা গেছে, কুষ্টিয়ায় ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ১১২টি, ফেব্রুয়ারিতে ১২৩, মার্চে ৩১০, এপ্রিলের ১২৮টি অগিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৫০ কোটি টাকার তি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৯ মার্চ মিরপুর উপজেলার পাহাড়পুর ও আমকাঁঠালিয়া গ্রামে তামাকের চুল্লিতে আগুন লাগে। ২৪ মার্চ একই উপজেলার ছাতিয়ান, পাহাড়পুর, ধুবইল ও চিথলিয়া গ্রামে তামাকের চুল্লিতে আগুন লেগে ব্যাপক তি হয়। এসব জায়গায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

৪ মার্চ ভেড়ামার রতনদিয়া, ১৮ মার্চ দৌলতপুরের মথুরাপুর, ১৯ মার্চ ভেড়ামারার বাহাদুরপুর, ২৩ মার্চ চককৃষণপুর, ২৪ মার্চ মাহাদেব ও ২৭ মার্চ মেঘনাপাড়ায় পানের বরজে আগুন লেগে ব্যাপক য়তি হয়। জানা যায়, দেশের মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় তামাকের আবাদ হয় সবচেয়ে বেশি। এ
সব তামাক পোড়াতে চুল্লি তৈরি করা হয়। এ ছাড়া এ অঞ্চলে প্রচুর পানের বরজ রয়েছে। পানের বরজের বেড়া তৈরির প্রধান উপকরণ হচ্ছে পাঠকাঠি। সরেজমিনে দেখা গেছে, তামাক পোড়ানোর জন্য বাড়ির উঠানে বা বসতবাড়ির পাশেই চুল্লি তৈরি করা হয়। ফলে আগুন লাগলে তা দ্রুত বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া তামাকচুল্লির আগুনের ছাই বাড়ির পাশেই ফেলে রাখা হয়। দাবদাহে এসব ছাই থেকেও আগুন লেগে যায়। গ্রীষ্মে দাবদাহে এসব বরজের পাটকাঠির বেড়া গরম হয়ে থাকে। এসব বেড়াসংলগ্ন এলাকা দিয়ে যাওয়ার পথে বিড়ি-সিগারেটের আগুন যেখানে-সেখানে ফেলার কারণে প্রায়ই বড় ধরনের অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পানের বরজ ও তামাকচুল্লিতে আগুন লাগার কয়েক মিনিটের মধ্যে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে না যেতেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

কুষ্টিয়ায় ২০১৩ সালে এক বছরে ১১৭ খুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ায় গত এক বছরে ১১৭ খুনের ঘটনা ঘটেছে। বছর জুড়ে চলেছে হত্যা-খুন এবং অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের ঘটনা। কুষ্টিয়ায় খুনের হিংস্রতা, বর্বরতা, নৃশংসতা ও পৈশাচিকতা যেন জাহেলী যুগের এক প্রতিচ্ছবি। পৃথিবীর সব বর্বরতাকে হার মানিয়ে মায়ের হাতে সন্তান খুন, ছেলের হাতে পিতা খুন, ভাইয়ের হাতে ভাই এমনকি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা খুনের নির্লজ্জ ইতিহাস রচিত হয়েছে এই কুষ্টিয়ায়। লোমহর্ষক ও নৃশংস হত্যাকান্ডের কারণে সমগ্র জেলা আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়। পুলিশ প্রশাসন খুন ঠেকাতে অনেকটা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, শ্রমিক, চালক-মালিক, অজ্ঞাত ব্যক্তি, শিশু ও নারীসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে খুন করা হয়েছে। বছরের শুরুতে পুলিশের হাতকড়া লাগানো অবস্থায় এক বিএন
পি নেতা খুনের বিষয়টি যেমন আলোচিত তেমনি বছরের শেষ দিকে জগন্নাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়ায় জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও চেম্বার অব কর্মাস ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালকে গুলি করে হত্যা তেমনি ভাবে আলোচিত হয়েছে। তবে অবাক করা বিষয় বছর জুড়ে এসব হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটলেও হোতাদের বেশির ভাগ থেকেছে ধরা ছোঁয়র বাইরে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ মাসে জেলায় ১১৭টি খুনে ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ৯, ফেব্রুয়ারি মাসে ৯, মার্চ মাসে ১২, এপ্রিল মাসে ৭, মে মাসে ১১, জুন মাসে ১১, জুলাই মাসে ১৩, আগস্ট মাসে ১০, সেপ্টেম্বর মাসে ৯, অক্টোবর মাসে ১০, নভেম্বর মাসে ৯ এবং ডিসেম্বর মাসে ৭টি খুন সংঘটিত হয়েছে। সুত্র জানায়, ৩ জানুয়ারি কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার গোস্বামী দূর্গাপুর ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে দুই জন নিহত হয়। নিহতরা হলেন-

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) মঙ্গলবার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মানুষ যখন
বিভ্রান্ত হয়ে সত্য ও সঠিক পথ ছেড়ে অধঃপতনের শেষ সীমায় উপনীত হয়। তখনই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পথহারা মানুষকে মুক্তির জন্য নবী ও রাসুল প্রেরণ করেন। জাহেলী যুগে আরব জাহানে যখন নেমে এলো চারিদিকে গাঢ় অন্ধকার ঠিক সেই মুহুর্তে বিশ্বের ভার্গাকাশে উদিত হলো মানবতার মুক্তির দূত মোহাম্মদ (সাঃ)। বহু প্রতিীত নবী মোহাম্মদ (সাঃ) আব্দুল্লাহর ঘরে মা আমেনার কোলে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ২০ শে আগষ্ট রবিউল আউয়াল চাঁদের ১২ তারিখে সুবহে সাদিকের সময় এ পৃথিবীতে আগমন করলেন। তার আগমনে আকাশ বাতাসে নতুন দিগন্তের সূচনা হলো।

৩০ শালা পানি চুক্তির ১৮ বছর অতিক্রম করলেও ন্যায্য হিস্যা পায়নি বাংলাদেশ

   খালিদ হাসান সিপাই
বাংলাদেশ ভারত পানি চুক্তির ১৮ বছরেও চুক্তি অনুযায়ী পানি পায়নি বাংলাদেশ। এবারো বাংলাদেশ পদ্মা নদীর পানি অনেক কম পেয়েছে। পানি প্রাপ্যতা যাচাই করতে প্রতি বছরের ন্যায় পর্যবেণ চলছে। এতে বাংলাদেশের আশার পানি চুক্তি জন্য হতাশায় থেকে যাচ্ছে। কারণ এবারও চুক্তি অনুযায়ী পানি পাচ্ছেনা। ৩০ শালা পানিচুক্তি অনুযায়ী পানি না পাওয়ায় ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে পদ্মা গড়াই নদীসহ ১৮টি নদী পানি শূণ্য হয়ে পড়েছে। পদ্মা নদীতে পানি শূন্যতার কারণে হাডিঞ্জ ব্রীজের ১১টি স্প্যান চরের উপর দাঁড়িয়ে আছে। বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় পানির অভাবে কৃষি আবাদে দেখা দিয়েছে মরুময়তা। কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুড়া ও যশোর জেলার ১৩টি উপজেলার ১ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হুমকীর সম্মুখীন হয়েছে। ভারতপ্রেমী সরকারের সময়েও পানির ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ায় বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে মরুময়তার হাত থেকে রার জন্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সাথে বাংলাদেশের ৩০ বছরের পানি চুক্তি হয়। সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেব গৌড় ও বাংলাদেশের প্রদানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে হায়দ্রাবাদ হাউজে ঐতিহাসিক ৩০ শালা পানি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশকে ১লা জানুয়ারী থেকে ৩১মে পর্যন্ত ৩৬ হাজার কিউসেক পানি দেওয়ার কথা। পানি চুক্তির ১৮ বছর অতিক্রম করলেও বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যা পায়নি। দু’দেশের মধ্যে চুক্তি স্বারের পর থেকেইে ভারত বাংলাদেশকে কম পানি দিয়ে আসছে। পানির অভাবে হাডিঞ্জ ব্রীজ ও লালন শাহ সেতুর নিচে জেগেছে বিশাল চর। পানি শূণ্যতার কারণে চাষাবাদসহ দণি-পশ্চিমাঞ্চলে মরুময়তা দেখা দিয়েছে। পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি কমতে কমতে পদ্মা অনেকটা খালের আকার ধারন করেছে। হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ১৫টি পিলারের মধ্যে ১১টি পিলারের নিচে পানি নেই। পানি শুকিয়ে নদীতে জেগে উঠেছে ছোট বড় অসংখ্য চর। আর সেই বালু চরে চলছে চাষ আবাদ। ধু ধু বালুচরের একপাশ দিয়ে স্রোতহীন পদ্মার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পদ্মার শাখা উপশাখা নদীগুলোর অবস্থা আরো করুন। এ অবস্থার বাস্তব অবস্থা পর্যবেনে বাংলাদেশ ভারত যৌথ কমিশনের (জে আরসি) প্রতিনিধি দল হার্ডিঞ্জ ব্রীজ পয়েন্টে পানি পর্যবেণ করে পানি প্রবাহের ফলাফল দিলেও তাতে কোন ফল আসেনি।
হার্ডিঞ্জ ব্রীজের নিচে জেগে আছে বিশাল চর, পিলারগুলো শীর্ণ ঠায় দাড়িয়ে আছে বালির উপর। পদ্মা নদীর চরে কৃষকরা আবাদ করছে বিভিন্ন সবজী ও ফসলের। আখের আবাদ হয়েছে অনেক। পদ্মার চরে এখন কৃষকদের হাল চাষের মৌসুম।
পানি না থাকায় কৃষকদের ব্যস্ততা বেড়েছে।
তথ্যসুত্রে জানাগেছে, বাংলাদেশ-ভারতের পানি চুক্তির ১৮তম বছর অতিক্রম করছে। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ থেকে ১০ হাজার মিটার ভাটিতে ভারত- বাংলাদেশ পানি পর্যবেণ টিম পানির প্রবাহ ও পানির স্তর পরিমাপ করে। বাংলাদেশ পদ্মা নদীর পানি এবারও ৮-১০ হাজার কিউসেক কম পেয়েছে। পানিচুক্তির ১৮ বছর অতিক্রম করলেও পানির ন্যায্য হিস্যা পায়নি বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে ভারতের তাবেদারী আওয়ামী সরকারও নিরবতা পালন করছে। ফলে দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চল মরুময়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
তবে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ৩০ বছরের পানি চুক্তি ১ জানুয়ারি ১৮তম বর্ষে পদার্পণ করছে।
হাইড্রোলজি বিভাগ সূত্র জানায়, দুই সদস্যের ভারতীয় টিম ৫০ দিন ব্যাপী পর্যায়ক্রমে পদ্মার পানি পর্যবেণ করবে। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুম। প্রতি ১০ দিনকে একটি বা সাইকেল হিসেবে ধরা হয়। আর প্রতি ৩০ দিনকে তিনটি চক্রে ভাগ করা হয়েছে। এভাবেই পানি পরিমাপ চলবে।
চুক্তির প্রথম বছর অর্থাৎ ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির স্তর ছিল সাত দশমিক ২৫০ মিটার। এ পয়েন্টে প্রতি বছর পানির স্তর কমে আসছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর তিন মিটারে নেমে আসে। আশঙ্কাজনকহারে পদ্মায় পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় পাবনার ২০-২৫টি নদী ইতিমধ্যে তার নাব্যতা হারিয়েছে। চুক্তির প্রথম বছরে ১ থেকে ১০ জানুয়ারি সাইকেলে বাংলাদেশের পানি পাওয়ার প্রাপ্যতা ছিল ৬৭ হাজার ৫১৬ কিউসেক। সেখানে পাওয়া যায় ৭০ হাজার ১২২ কিউসেক। শর্তানুযায়ী চুক্তির প্রথম বছরের প্রথম সাইকেলে পানি পাওয়া কিছুটা বেশি হলেও পরে ভারত বাংলাদেশকে একতরফা পানি কম দিয়ে আসছে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়।
প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকার ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২ দেশের জনগণের কল্যাণ সাধনের অভিন্ন ল্েয অনপ্রাণিত হয়ে বন্ধুত্বপূর্ন ও সুপ্রতিবেশী সূলভ সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জোরদার করার দৃঢ় প্রত্যয়ে ৯৬’র ১২ ডিসেম্বর দু’ দেশের প্রধানমন্ত্রীদ্বয় ১২ অনুচ্ছেদে ফারাক্কায় গঙ্গার পানিবণ্টন সংক্রান্ত চুক্তি স্বার করে। চুক্তির ১ম অনুচ্ছে অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশকে যে পরিমাণ পানি দিতে সম্মত হয়েছে তা ছাড়া হবে ফারাক্কায় বলে উল্লেখ করা হয়। ২য় অনুচ্ছেদে বলা হয় ১লা জানুয়ারী থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে ফারাক্কায় গঙ্গার পানিবণ্টন হবে এবং পরিশিষ্ট-১ এর আওতায় পানি বণ্টন ব্যবস্থায় যে ফর দাাঁড়াবে তার একটি নির্দেশমূলক তফসীল পরিশিষ্ট-২ এ দেওয়া আছে। (২) ফারাক্কার গত ৪০ বছরে (১৯৪৯-১৯৮৮) ১০ দিনের গড় পানি পানি প্রাপ্তির ভিত্তিতে পরিশিষ্ট -২ এ নির্দেশমূলক তফসীল প্রদান করা হয়েছে। ফারাক্কার ওপরে উল্লেখিত ৪০ বছরের গড় পানি প্রবাহ বজায় রাখার জন্য উজানের দেশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে। (৩) কোন ১০ দিনের সময়কালে ফারাক্কার পানির প্রবাহ ৫০ হাজার কিউসেকের নিচে নেমে আসলে ২ দেশের সরকার কোন পরে তি না করে সমতা ও ন্যায়পরায়নতার নীতিমালার ভিত্তিতে জরুরীভাবে পানি প্রবাহে সমন্বয় সাধনের জন্যে অবিলম্বে আলোচনায় বসবে।
৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে ফারাক্কায় বাংলাদেশের জন্য যে পানি ছাড়া হবে তা ভারতের যুক্তিসঙ্গত ব্যবহার ছাড়া ফারাক্কা এবং গঙ্গার মধ্যবর্তী স্থান যার উভয় তীর বাংলাদেশ ভূখন্ড, ২০০শত কিউসেকের বেশি হ্রাস করা হবে না।এই চুক্তি স্বারের পর সমান সংখ্যক সদস্য নিয়ে ২ সরকারের মনোনীত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি যৌথ কমিটি নামে অভিহিত হবে। যৌথ কমিটি হার্ডিঞ্জ ব্রীজসহ ফারাক্কা, ফারাক্কার নিচে, ফিডার ক্যানেলে ও নেভিগেশন লকে দৈনন্দিন প্রবাহ পর্যবেণ ও রেকর্ডের জন্য উপযোগী টিম গঠন করবে। বিগত সময়গুলিতে এ টিম গঠন করে বাংলাশে চুক্তি অনুযায়ী পানি পেয়ে রিপোর্ট পেশ করলেও ভারত সে ব্যাপারে কোন তোয়াক্কা করেনি।
২০১৪ সালের জন্যও ঠিক অনুরূপ পর্যবেণ টিম তৈরি করা হয়েছে ৫ সদস্যের। যারা এখন কুষ্টিয়ার হার্ডিঞ্জ ব্রীজের নিচে পর্যবেণ করছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, গঙ্গা চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে মে’র শেষ দিন পর্যন্ত ভারত ফারাক্কা পয়েন্টে ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল এই চল্লিশ বছরের গড় হারে বাংলাদেশ পানি পাওয়ার কথা। এছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে প্রতি সেকেন্ডে ৩৫ হাজার ঘনফুট পানি প্রবাহের কথা রয়েছে। কিন্তু চুক্তির শুরু থেকেই এ পানি কম দিয়ে আসছে ভারত। তাদের ওয়াদা তারা পালন করেনি। পানিচুক্তি একটি নিষ্ফণ চুক্তিতে পরিণত হয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, হিমালয়ের বরফগলা পানিতে গঙ্গা নদীর অববাহিকার আয়তন ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০৪ বর্গকিলোমিটার। পদ্মা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রজেক্টে পানির জোগান প্রতি বছর দাঁড়ায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনমিটার। পানি প্রবাহের হার ৪ লাখ ৪২ হাজার ১৭০ ঘনমিটার প্রতি ২ কিলোমিটার। ২ হাজার ৫২৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে গঙ্গা নদীর অববাহিকায় ভারত ১ কোটি ৩০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচের ব্যবস্থা করেছে। অন্যদিকে দেশের বৃহত্তম গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে প্রজেক্ট) সেচ প্রকল্প, পাবনা সেচ ও পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প, পানাসি (পাবনা-নাটোর ও সিরাজগঞ্জ) প্রকল্প, বরেন্দ্র প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের হাজার হাজার একর জমিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও পাম্প ব্যবহার করে সেচ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। জিকে প্রজেক্টে ১ লাখ ৯৭ হাজার একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৪২ হাজার একর আবাদি জমি। যে জমিতে এখন আখ, বাদাম (যে ফসলে পানির প্রয়োজন কম হয়) চাষে ব্যস্ত রয়েছেন নদীপাড়ের কৃষক।
কুষ্টিয়ার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ ও পানি উন্নয়নবোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। নলকুপে পানি পাচেছনা। বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কৃষি আবাদে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। এতে সেচ প্রকল্পের অধীনে ১ল ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলাসহ ৫ জেলায় মরুময়তা দেখা দিয়েছে। কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুড়া ও যশোর জেলার ১৩টি উপজেলায় ১ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ করা চাষীদের দূরহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পানি চুক্তির ১৮ বছর পার হলেও চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি না পাওয়ায় ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে এদেশের নদী নালা খাল বীল পানি শূণ্য হয়ে পড়েছে। ভারতের সাথে চুক্তি করে সেই চুক্তি অনুযায়ী পানি পাওয়ায় দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হতে শুরু করেছে। হুমকীর সম্মুখীত হতে চরেছে দেশের ৫ কোটি মানুষের জীবন। দেশের মাটি ও মানুষের জীবন বাঁচাতে পানি চুক্তির যথার্থ বাস্তবায়ন করে এ সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা করবেন এটাই দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চল মানুষের দাবী।

বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ায় ১৮ দলীয় জোটের মিছিলে পুলিশের বাধা

স্টাফ রিপোর্টার,কুষ্টিয়া ০৮-০১-১৪ ইং ॥ প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ১৮ দলীয় জোটের হরতালের টানা ৩য় দিন কুষ্টিয়ায় সতস্ফুর্তভাবে পালিত হয়েছে। হরতালের সমর্থনে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে মিছিল সমাবেশে করেছে কুষ্টিয়া জেলা ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। বুধবার সকালে বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির ত্রাণ ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক জেলা বিএনপির সভাপতি জেলা ১৮ দলীয় জোটের আহবায়ক সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর নেতৃত্বে মিছিলটি জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদণি করে

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৪

পোড়াদহে মেধাবী ছাত্রদের শীতবস্ত্র দিলো সাফ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার তেঘরিয়া আইডিয়াল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মেধাবী ও গরীব ছাত্রছাত্রীদের মাঝে সোয়েটার ও কার্ডিগান বিতরণ করলেন সাফ‘র নির্বাহী পরিচালক মীর আব্দুর রাজ্জাক। উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী নেতা ডাঃ
এম এ করিম, পোড়াদহ তেঘরিয়া আইডিয়াল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিকিাসহ শিক/শিকিাবৃন্দ।

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ায় হরতাল সমর্থনে ১৮ দলীয় জোটের বিােভ সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও হত্যাকান্ডের ৪৮ ঘন্টা হরতালের ২য় দিনে কুষ্টিয়ায় ১৮ দলীয় জোটের বিােভ সমাবেশ করেছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা বিএনপির কার্যালয় চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে কুমারখালির বিভিন্ন ইউনিয়ন ও কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন এলাকা খন্ড খন্ড মিছিল সমাবেশে যোগ দেয়। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক জেলা বিএনপির সভাপতি কুষ্টিয়া জেলা ১৮ দলীয় জোটের আহবায়ক সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জেলা ১৮ দলীয় জোটের
যুগ্ম আহবায়ক সাবেক এমপি অধ্য সোহরাব উদ্দিন। জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার সাজেদুর রহমান বাবলুর পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড.গোলাম মহাম্মাদ, যুগ্ম সম্পাদক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, এসএম ওমর ফারুক,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. শামিম উল হাসান অপু, যোগাযোগ সম্পাদক হাজী রবিউল আউয়াল, ক্রীড়া সম্পাদক আল আমিন কানাই, যুব বিষয়ক সম্পাদক মেজবাউর রহমান পিন্টু, ছাত্র বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মুঈদ বাবুল, সরকারী কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।

ফেলানী হত্যার তৃতীয় বার্ষিকী

  বিএসএফ’র গুলিতে নির্মমভাবে নিহত ফেলানীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলে ফেলানীর পরিবারের প থেকে কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর দণি রামখানা কলোনীটারী গ্রামে তার নিজ বাড়িতে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানী ফুলবাড়ীর উত্তর অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের ওপর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল। এ সময় টহলরত চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ তাকে গুলি করে হত্যা করেন। ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার শহরের কাছে সোনারি বিএসএফের ছাউনিতে বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার শুরু হয়। স্যা দেন ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম, মামা আ. হানিফ, কুড়িগ্রামের সরকারি কৌঁসুলি আব্রাহাম লিংকন ও ৪৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল জিয়াউল হক খালেদ।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালত মামলার প্রধান আসামি অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেন। রায় প্রত্যাখ্যান করে ফেলানীর বাবা ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে ভারত সরকারকে চিঠি দেন। এ পর্যায়ে ‘রিভিশন ট্রায়াল’ করার ঘোষণা দেয় বিএসএফ।

কুষ্টিয়ায় ১৮ দলীয় জোটের হরতাল সমর্থনে মিছিল

 স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও হত্যাকান্ডের প্রতিবিাদে দাবীতে বিএনপির ৪৮ ঘন্টা হরতালের ১ম দিন কুষ্টিয়ায় সতস্ফুর্ত ভাবে পালিত হয়েছে। হরতালের সমর্থনে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে মিছিল সমাবেশে করেছে কুষ্টিয়া জেলা ১৮ দলীয় জোট।

রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়া শহর শিবিরের বিােভ মিছিল ॥ মহাসড়কে আগুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দশম জাতীয় নির্বাচন বাতিল ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে এবং হরতালের সমর্থনে কুষ্টিয়ায় বিােভ মিছিল করেছে শিবির। ইসলামী ছাত্রশিবির কুষ্টিয়া শহর শাখা সোমবার সকালে শহরে বিভিন্ন স্থানে মিছিল পিকেটিং করেছে।

কুষ্টিয়ায় ৩টি সংসদীয় আসনের ২টিতে আওয়ামীলীগ ও ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়লাভ

॥ কুষ্টিয়ার ৩টি সংসদীয় আসনের বেসরকারী ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) রেজাউল হক চৌধুরী, কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুর রউফ বিজয়ী হয়েছেন।

শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

 কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গাছেরদিয়াড় গ্রামের মাঠে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
ভেড়ামারা সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার সিএ হালিম জানান, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গাছেরদিয়াড় গ্রামের একটি মাঠের মধ্যে একটি লাম পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত অনুমানিক (৩২) বছর বয়সী ওই ব্যক্তির গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে। তবে এখনো তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে অন্য জায়গা থেকে তাকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার আলামপুরে ভোট কেন্দ্রে আগুন ॥ বিএনপি নেতা গ্রেফতার

 স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুরে একটি ভোট কেন্দ্রে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউপি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়ামত আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার মধ্যরাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগে আনা হয়েছে।

শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৪

কুষ্টিয়ায় নকল এনার্জী ড্রিংক তৈরীর অভিযোগে তিন জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ায় যৌন উত্তেজক এনার্জি ড্রিংক তৈরীর নকল কারাখানা অবিষ্কার করেছে র‌্যাব সদস্যরা। শহরের মিলপাড়াস্থ আয়েশা কুঞ্জের ৩য় তলায় অবস্থিত ওই কারখানায় অভিযান চালায়। এসময় সেখান থেকে জিনসিন সরবত ও ডাবল হর্স এনার্জি ড্রিংকস নামের বিপুল পরিমান বোতলজাত ড্রিংক, ড্রিংক তৈরীর সরঞ্জাম ও কাঁচামাল উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থে
কে কারখানার মালিক তাজমুল ইসলাম তাজু (৫৫), কেমিষ্ট বসির উদ্দিন (৪৭) ও শ্রমিক নাসিম উদ্দিনকে ৫০) গ্রেফতার করে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারটার দিকে ঐ কারখানার সামনে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসএম জামাল অভিযুক্ত কারখানা মালিক তাজমল ইসলাম তাজুর ১ বছর এবং বসির উদ্দিন ও নাসিম উদ্দিনকে ৬ মাস করে কারদন্ড প্রদান করেন। পরে উদ্ধারকৃত নকল মালমাল আগুনে পুড়িয়ে ধবংস করা হয়।

সন্তানসহ আত্মহত্যার হুমকি নূপুরের

 দিগন্ত ডেস্ক ॥ অপহৃত দুই কন্যাকে ফেরত না পেলে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে ছোট মেয়েকেসহ গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিন সন্তানের জননী সোনিয়া আক্তার নূপুর। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে এক মানববন্ধনে পাগলপ্রায় মা এমন কথাই বললেন।
নূপুরের দাব, তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস (৯) ও মেজো মেয়ে দিয়া মনিকে (৬) অপহরণ করেছে তারই সাবেক স্বামী মৃত রফিকুল ইসলাম কাজলের ছোট ভাই ও বর্তমান স্বামী আহমেদ আলী রানাসহ পরিবারের সদস্যরা।
নূপুর জানান, তিনি জানতে পেরেছেন বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটির ১১নম্বর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্যাটে আটকে রাখা হয়েছে। তবে মেজো মেয়ে দিয়া মনির কোনো খোঁজ জানেন না নূপুর।

সন্তানসহ আত্মহত্যার হুমকি নূপুরের

 দিগন্ত ডেস্ক ॥ অপহৃত দুই কন্যাকে ফেরত না পেলে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে ছোট মেয়েকেসহ গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিন সন্তানের জননী সোনিয়া আক্তার নূপুর। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে এক মানববন্ধনে পাগলপ্রায় মা এমন কথাই বললেন।
নূপুরের দাব, তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস (৯) ও মেজো মেয়ে দিয়া মনিকে (৬) অপহরণ করেছে তারই সাবেক স্বামী মৃত রফিকুল ইসলাম কাজলের ছোট ভাই ও বর্তমান স্বামী আহমেদ আলী রানাসহ পরিবারের সদস্যরা।
নূপুর জানান, তিনি জানতে পেরেছেন বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটির ১১নম্বর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্যাটে আটকে রাখা হয়েছে। তবে মেজো মেয়ে দিয়া মনির কোনো খোঁজ জানেন না নূপুর।

সন্তানসহ আত্মহত্যার হুমকি নূপুরের

 দিগন্ত ডেস্ক ॥ অপহৃত দুই কন্যাকে ফেরত না পেলে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে ছোট মেয়েকেসহ গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিন সন্তানের জননী সোনিয়া আক্তার নূপুর। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে এক মানববন্ধনে পাগলপ্রায় মা এমন কথাই বললেন।
নূপুরের দাব, তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস (৯) ও মেজো মেয়ে দিয়া মনিকে (৬) অপহরণ করেছে তারই সাবেক স্বামী মৃত রফিকুল ইসলাম কাজলের ছোট ভাই ও বর্তমান স্বামী আহমেদ আলী রানাসহ পরিবারের সদস্যরা।
নূপুর জানান, তিনি জানতে পেরেছেন বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটির ১১নম্বর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্যাটে আটকে রাখা হয়েছে। তবে মেজো মেয়ে দিয়া মনির কোনো খোঁজ জানেন না নূপুর।

সন্তানসহ আত্মহত্যার হুমকি নূপুরের

 দিগন্ত ডেস্ক ॥ অপহৃত দুই কন্যাকে ফেরত না পেলে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে ছোট মেয়েকেসহ গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিন সন্তানের জননী সোনিয়া আক্তার নূপুর। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে এক মানববন্ধনে পাগলপ্রায় মা এমন কথাই বললেন।
নূপুরের দাব, তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস (৯) ও মেজো মেয়ে দিয়া মনিকে (৬) অপহরণ করেছে তারই সাবেক স্বামী মৃত রফিকুল ইসলাম কাজলের ছোট ভাই ও বর্তমান স্বামী আহমেদ আলী রানাসহ পরিবারের সদস্যরা।
নূপুর জানান, তিনি জানতে পেরেছেন বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটির ১১নম্বর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্যাটে আটকে রাখা হয়েছে। তবে মেজো মেয়ে দিয়া মনির কোনো খোঁজ জানেন না নূপুর।

দৌলতপুরে ডাক্তারের অবহেলায় প্রসূতির মূত্যু ॥ কিনিকে হামলা ও ভাংচুর

কুষ্টিয়া ০৩ জানুয়ারী ১৪ ইং
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ডাক্তারের অবহেলায় রমা রানী কর্মকার নামে এক প্রসূতির মূত্যু হয়েছে। এঘটনায় বিুব্ধ জনতা নিবন্ধনবিহীন মাহিমা কিনিকে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার আলারদর্গা বাজারে এঘটনা ঘটেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, উপজেলার পিয়ারপুর ইউপির হলুদবাড়ীয়া গ্রামের লন কর্মকারের সন্তান সম্ভাবা স্ত্রী রমা রানী কর্মকারকে (২২) এক দালালের মাধ্যমে গতকাল সন্ধ্যায় ওই কিনিকে ভর্তি করে। এ সময় কিনিকের লোকজন কোন পরীা নিরীা ছাড়ায় হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে সিজার অপারেশন করায়। এতে একটি মেয়ে শিশু জন্ম গ্রহন করে। কিন্তু অপারেশনের পর পরই প্রসূতির অতিরিক্ত রক্ত রনে মুত্যু হলে হাতুড়ে ডাক্তার ও কিনিকের লোকজন কিনিক বন্ধ করে পালিয়ে যায়। এ খবর নিহতের পরিবারের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে বিুব্ধ জনতা ওই কিনিকে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। তবে সদ্য জন্ম নেয়া শিশুটি বেঁচে রয়েছে।

কুষ্টিয়ার মিরপুরে পুর্ববাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি আঞ্চলিক নেতা ঝন্টু ফকির অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার

  কুষ্টিয়া ০৩ জানুয়ারী ১৪ ইং
কুষ্টিয়ার মিরপুরে পুর্ববাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি (এম এল লাল পতাকা)’র অঞ্চলিক নেতা হত্যা, বিষ্ফোরকসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ঝন্টু ফকিরকে (২৭) গ্রেফতার করেছে মিরপুর থানা পুলিশ।
ভেড়ামারা সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার সিএ হালিম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে ঝন্টু ফকিরকে মিরপুর উপজেলার আসাননগর ইদগাহ মোড় থেকে একটি এলজি ও দুই রাউন্ড বন্দুকের কার্তুজসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ঝন্টু ফকির আসাননগর কাব পাড়ার নাসির ফকিরের ছেলে। নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন লাল পতাকাকে সংগঠিত করার জন্য আঞ্চলিক নেতা হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে হত্যা, বিষ্ফোরক আইনেসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির ৩ নেতা-কর্মী আটক

কুষ্টিয়া ০৩ জানুয়ারী ১৪ ইং
কুষ্টিয়ায় অভিযান চালিয়ে জামায়াত-বিএনপির তিন-নেতা কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন জামায়াত কর্মী আশরাফুল ইসলাম (৪৭), বিএনপি কর্মী রবিউল ইসলাম (৩৮) ও আয়ুব হোসেন (৪৬)।
এদিকে, আগামী ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে ১৮ দলের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচির তৃতীয় দিনে জেলাটিতে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপো করে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা বিােভ মিছিল করেছে।
এছাড়া শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন-এর নেতৃত্বে মজমপুর গেট থেকে একটি বিােভ মিছিল বের হয়ে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়ক প্রদণি করে।

বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৪

৩১৩ বরকতময় বদরী সাহাবী

এম খালিদ হুসাইন সিপাহী * ইসলামের প্রথম জিহাদ বদর রনাঙ্গনে হযরত রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর প্রাণপ্রিয় সাথী-সঙ্গী ছাহাবাগণের সংখ্যা ৩১৩। *আল্লাহ্ তা‘য়ালার প্রেরিত লাধিক পয়গাম্বরগণের মধ্যে রাসূলগনের সংখ্যা ৩১৩। *হযরত ইব্রহীম (আঃ) এর সহগামীদের সংখ্যা ৩১৩। *আল্লাহ্তায়ালার প্রিয় বান্দা ও মনোনীত বাদশাহ হযরত তালূতের বিজয় অভিযানে সাথীগণের সংখ্যা ৩১৩। *দুনিয়ার ধ্বংস লগ্নে শান্তির প্রতীক আল্লাহর দ্বীনের সর্বশেষ পতাকা উত্তোলনকারী ইমাম মাহ্দীর মূল বাহিনীর সংখ্যা ৩১৩। অতএব, ৩১৩ সংখ্যার ইতিহাস একটি যুগান্তকারী বরকতময় ইতিহাস। যুগে যুগে এ সংখ্যা এনেছে পৃথিবীতে মানব মুক্তি ও কল্যাণের সুবাতাস। এনেছে সত্য ও ন্যায়ের শান্তিময় মানদন্ড। তাই এ সংখ্যা একদিকে যেমন হয়েছে এক উজ্জ্বল ইতিহাস, তেমনি এ সংখ্যায় রয়েছে প্রতি যুগে যুগে মুমিনের প্রেরণা। ইতিহাসের পাতায় পাতায় সোনালী অরে বরকতের ছাপ হয়ে আছে বদরী সাহাবীদের ৩১৩টি নাম। বরকতময় ৩১৩ জন বদরী সাহাবী: বুযুর্গানে দ্বীনের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রমাণিত যে, যে কোন বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি লাভের আশায় আল্লাহর দরবারে সেই মহান সাহাবীদের নামের উসিলা দিয়ে দু’আ করলে অতি দ্রুত কবুল হয়ে থাকে। আল্লাহর রাসুল (সাঃ) ওয়াসিলা ধরে দোয়া করার কথা বলেছেন, অতএব সাহাবীদের নাম পড়ে দোয়া করলে আল্লাহ দোয়া কবুল করেন। কারো যদি সন্তান না হয় তবে এ নামগুলি পড়ে পানিতে ফুক দিয়ে পান করলে আল্লাহর নবীর সাহাবীদের নামের বরকতে আল্লাহ তার সুসন্তান দান করবেন। অতএব যে ঘরে তাদের বরকতময় নাম সংরতি থাকবে সেই ঘরে বরকতেরও আশা করা যায়। মুহাজির সাহাবীঃ ১. হযরত আবু বকর (রাঃ) ২. হযরত উমর ফারুক (রাঃ) ৩. হযরত উসমান (রাঃ) ৪. হযরত আলী মোর্তাজা (রাঃ) ৫. হযরত হামজা (রাঃ) ৬. হযরত যায়েদ বিন হারেছা (রাঃ) ৭. হযরত আবু কাবশাহ সুলাইম (রাঃ) ৮. হযরত আবু মারছাদ গানাভী (রাঃ) ৯. হযরত মারছাদ বিন আবু মারছাদ (রাঃ) ১০. হযরত উবাইদা বিন হারেছ (রাঃ) ১১. হযরত তোফায়েল বিন হারেছ (রাঃ) ১২. হযরত হুসাইন বিন হারেছ (রাঃ) ১৩. হযরত আউফ বিন উসাসা (রাঃ) ১৪. হযরত আবু হুযায়ফা (রাঃ) ১৫. হযরত ছালেম (রাঃ) ১৬. হযরত সুহইব বিন সিনান (রাঃ) ১৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ (রাঃ) ১৮. হযরত উক্বাশা বিন মিহসান (রাঃ) ১৯. হযরত শুজা’ বিন ওহাব (রাঃ) ২০. হযরত ওতবা বিন রবীআহ (রাঃ) ২১. হযরত ইয়াযীদ বিন রুকাইশ (রাঃ) ২২. হযরত আবু সিনান (রাঃ) ২৩. হযরত সিনান বিন আবু সিনান (রাঃ) ২৪. হযরত মুহরিয বিন নাজলা (রাঃ) ২৫. হযরত রবীআ’ বিন আক্সাম (রাঃ) ২৬. হযরত হাতেব বিন আমর (রাঃ) ২৭. হযরত মালেক বিন আমর (রাঃ) ২৮. হযরত মিদ্লাজ বিন আমর (রাঃ) ২৯. হযরত সুওয়ায়েদ ইবনে মাখশী (রাঃ) ৩০. হযরত উৎবা বিন গাযওয়ান (রাঃ) ৩১. হযরত জুবাইর বিন আউওয়াম (রাঃ) ৩২. হযরত হাতেব বিন আবি বালতাআহ (রাঃ) ৩৩. হযরত সা’দ বিন খাওলা (রাঃ) ৩৪. হযরত মুসআব বিন উমায়ের (রাঃ) ৩৫. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ) ৩৬. হযরত আঃ রহমান বিন আউফ (রাঃ) ৩৭. হযরত সা’দ বিন আবু উবায়দা (রাঃ) ৩৮. হযরত উমায়ের বিন আবিওয়াক্কাস (রাঃ) ৩৯. হযরত মিক্বদাদ বিন আমর (রাঃ) ৪০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাসউদ (রাঃ) ৪১. হযরত মাসউদ বিন রাবীআ (রাঃ) ৪২. হযরত যুশ্ শিমালাইন (রাঃ) ৪৩. হযরত খাব্বাব বিন আরাত (রাঃ) ৪৪. হযরত বিলাল বিন রবাহ্ (রাঃ) ৪৫. হযরত আমের বিন ফুহায়রা (রাঃ) ৪৬. হযরত ছুহাইব বিন সিনান (রাঃ) ৪৭. হযরত তালহা বিন উবাইদুল্লাহ্ (রাঃ) ৪৮. হযরত আবু সালমা বিন আব্দুল আসাদ (রাঃ) ৪৯. হযরত শাম্মাস বিন উসমান (রাঃ) ৫০. হযরত আকরাম বিন আবুল আকরাম (রাঃ) ৫১. হযরত আম্মার বিন ইয়াছির (রাঃ) ৫২. হযরত মুআত্তিব বিন আউফ (রাঃ) ৫৩. হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব (রাঃ) ৫৪. হযরত আমর বিন সুরাকা (রাঃ) ৫৫. হযরত ওয়াকেদ বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) ৫৬. হযরত খাওলা বিন আবু খাওলা (রাঃ) ৫৭. হযরত আমের বিন রবীআহ (রাঃ) ৫৮. হযরত আমের বিন হারিছ (রাঃ) ৫৯. হযরত আমের বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) ৬০. হযরত খালেদ বিন বুকাইর (রাঃ) ৬১. হযরত ইয়ায বিন গানাম (রাঃ) ৬২. হযরত সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ) ৬৩. হযরত উসমান বিন মাজউন (রাঃ) ৬৪. হযরত সাইব বিন উসমান (রাঃ) ৬৫. হযরত কুদামা বিন মাজউন (রাঃ) ৬৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাজউন (রাঃ) ৬৭. হযরত মা’মার বিন হারেছ (রাঃ) ৬৮. হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রাঃ) ৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাখ্রামা (রাঃ) ৭০. হযরত খাব্বাব মাওলা উৎবা বিন গযওয়ান (রাঃ) ৭১. হযরত আবুস্ সাইব উসমান বিন মাজউন (রাঃ) ৭২. হযরত আমর বিন আবু সারাহ (রাঃ) ৭৩. হযরত সাকাফ বিন আমর (রাঃ) ৭৪. হযরত মুজায্যার বিন যিয়াদ (রাঃ) ৭৫. হযরত খাব্বাব ইবনুল মুনযির (রাঃ) ৭৬. হযরত উমায়ের বিন আবী ওয়াক্কাছ (রাঃ) ৭৭. হযরত মিকদাদ বিন আমর (রাঃ) ৭৮. হযরত নোমান বিন আসার বিন হারেস (রাঃ) ৭৯. হযরত মিহ্জা’ মাওলা উমর ফারুক (রাঃ) ৮০. হযরত ওহাব বিন আবী সারাহ (রাঃ আনসার সাহাবীঃ ৮১. হযরত সা’দ বিন মুআজ (রাঃ) ৮২. হযরত আমর বিন মুআজ (রাঃ) ৮৩. হযরত হারেস বিন আউস (রাঃ) ৮৪. হযরত হারেস বিন আনাস (রাঃ) ৮৫. হযরত আব্বাদ বিন বিশর (রাঃ) ৮৬. হযরত সালামা বিন সাবেত (রাঃ) ৮৭. হযরত হারেস বিন খাযামা (রাঃ) ৮৮. হযরত মুহাম্মদ বিন মাসলামা (রাঃ) ৮৯. হযরত সালামা বিন আসলাম (রাঃ) ৯০. হযরত উবায়েদ বিন তাইয়িহান (রাঃ) ৯১. হযরত কাতাদা বিন নোমান (রাঃ) ৯২. হযরত উবায়েদ বিন আউস (রাঃ) ৯৩. হযরত নসর বিন হারেস (রাঃ) ৯৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন তারেক (রাঃ) ৯৫. হযরত আবু আব্স বিন জব্র (রাঃ) ৯৬. হযরত আবু বুরদাহ্ হানী বিন নিয়্যার (রাঃ) ৯৭. হযরত আসেম বিন সাবেত (রাঃ) ৯৮. হযরত মুআত্তিব বিন কুশাইর (রাঃ) ৯৯. হযরত আমর বিন মা’বাদ (রাঃ) ১০০. হযরত সাহল বিন হুনাইফ (রাঃ) ১০১. হযরত মুবাশ্শির বিন আব্দুল মুনযির (রাঃ) ১০২. হযরত রিফাআ বিন আঃ মুনযির (রাঃ) ১০৩. হযরত খুনাইস বিন হুযাফা (রাঃ) ১০৪. হযরত আবু সাবরা কুরাইশী (রাঃ) ১০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সালামা (রাঃ) ১০৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সুহাইল (রাঃ) ১০৭. হযরত সা’দ বিন মুআয (রাঃ) ১০৮. হযরত উমায়ের বিন আউফ (রাঃ) ১০৯. হযরত আমের বিন সালামা (রাঃ) ১১০. হযরত ছফওয়ান বিন ওহাব (রাঃ) ১১১. হযরত ইয়ায বিন বুকাইর (রাঃ) ১১২. হযরত সা’দ বিন উবায়েদ (রাঃ) ১১৩. হযরত উওয়াইম বিন সায়েদাহ (রাঃ) ১১৪. হযরত রাফে বিন আনজাদা (রাঃ) ১১৫. হযরত উবায়েদ বিন আবু উবয়েদ (রাঃ) ১১৬. হযরত সা’লাবা বিন হাতেব (রাঃ) ১১৭. হযরত আবু লুবাবাহ আব্দুল মুনযির (রাঃ) ১১৮. হযরত হারেস বিন হাতেব (রাঃ) ১১৯. হযরত আসেম বিন আদী (রাঃ) ১২০. হযরত আনাছ বিন কাতাদা (রাঃ) ১২১. হযরত মাআন বিন আদী (রাঃ) ১২২. হযরত সাবেত বিন আকরাম (রাঃ) ১২৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন ছাহল (রাঃ) ১২৪. হযরত যায়েদ বিন আসলাম (রাঃ) ১২৫. হযরত রিব্য়ী বিন রাফে’ (রাঃ) ১২৬. হযরত সা’দ বিন যায়েদ (রাঃ) ১২৭. হযরত সালমা বিন সালামা (রাঃ) ১২৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন যায়েদ (রাঃ) ১২৯. হযরত আসেম বিন কায়েস (রাঃ) ১৩০. হযরত আবুস্ সয়্যাহ বিন নোমান (রাঃ) ১৩১. হযরত আবু হাব্বাহ বিন আমর (রাঃ) ১৩২. হযরত হারেস বিন নোমান (রাঃ) ১৩৩. হযরত খাওয়াত বিন যুবাইর (রাঃ) ১৩৪. হযরত মুনযির বিন মুহাম্মদ (রাঃ) ১৩৫. হযরত আবু আকীল আব্দুর রহমান (রাঃ) ১৩৬. হযরত আবু দুজানা (রাঃ) ১৩৭. হযরত সা’দ বিন খায়সামা (রাঃ) ১৩৮. হযরত মুনযির বিন কুদামা (রাঃ) ১৩৯. হযরত মালেক বিন কুদামা (রাঃ) ১৪০. হযরত হারেস বিন আরফাজা (রাঃ) ১৪১. হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) ১৪২. হযরত মালেক বিন নুমায়লা (রাঃ) ১৪৩. হযরত খারেজা বিন যায়েদ (রাঃ) ১৪৪. হযরত সা’দ বিন রবী’ (রাঃ) ১৪৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন রাওয়াহা (রাঃ) ১৪৬. হযরত বশির বিন সা’দ (রাঃ) ১৪৭. হযরত সিমাক বিন সা’দ (রাঃ) ১৪৮. হযরত সুবাঈ বিন কায়েস (রাঃ) ১৪৯. হযরত আব্বাদ বিন কায়েস (রাঃ) ১৫০. হযরত ইয়াযিদ বিন হারেস (রাঃ) ১৫১. হযরত খোবায়ের বিন য়াসাফ (রাঃ) ১৫২. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস (রাঃ) ১৫৩. হযরত হারিস বিন যিয়াদ (রাঃ) ১৫৪. হযরত তামীম বিন য়াআর (রাঃ) ১৫৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উমায়ের (রাঃ) ১৫৬. হযরত যায়েদ বিন মুযাইন (রাঃ) ১৫৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উরফুতাহ্ (রাঃ) ১৫৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন রবী’ (রাঃ) ১৫৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) ১৬০. হযরত আউস বিন খাওলা (রাঃ) ১৬১. হযরত যায়েদ বিন উবায়েদ (রাঃ) ১৬২. হযরত উকবাহ বিন ওহাব (রাঃ) ১৬৩. হযরত রিফাআহ বিন আমর (রাঃ) ১৬৪. হযরত উসায়ের বিন আসর (রাঃ) ১৬৫. হযরত মা’বাদ বিন আব্বাদ (রাঃ) ১৬৬. হযরত আমের বিন বুকাইর (রাঃ) ১৬৭. হযরত নওফল বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) ১৬৮. হযরত উবাদা বিন সামেত (রাঃ) ১৬৯. হযরত নোমান বিন মালেক (রাঃ) ১৭০. হযরত সাবেত বিন হায্যাল (রাঃ) ১৭১. হযরত মালেক বিন দুখশুম (রাঃ) ১৭২. হযরত রবী’ বিন ইয়াছ (রাঃ) ১৭৩. হযরত ওয়ারাকা বিন ইয়াছ (রাঃ) ১৭৪. হযরত আমর বিন ইয়াছ (রাঃ) ১৭৫. হযরত আমর বিন কয়েস (রাঃ) ১৭৬. হযরত ফাকেহ বিন বিশ্র (রাঃ) ১৭৭. হযরত নওফল বিন সা’লাবা (রাঃ) ১৭৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সা’লাবা (রাঃ) ১৭৯. হযরত মুনযির বিন আমর (রাঃ) ১৮০. হযরত আবু উসায়েদ মালেক (রাঃ) ১৮১. হযরত মালেক বিন মাসউদ (রাঃ) ১৮২. হযরত আবদে রাব্বিহি (রাঃ) ১৮৩. হযরত কা’ব বিন জাম্মায (রাঃ) ১৮৪. হযরত জমরাহ বিন আমর (রাঃ) ১৮৫. হযরত যিয়াদ বিন আমর (রাঃ) ১৮৬. হযরত হুবাব বিন মুনযির (রাঃ) ১৮৭. হযরত উমায়ের বিন হারাম (রাঃ) ১৮৮. হযরত উমায়ের বিন হুমাম (রাঃ) ১৮৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আমর (রাঃ) ১৯০. হযরত মুআজ বিন আমর (রাঃ) ১৯১. হযরত মুআউওয়াজ বিন আমর (রাঃ) ১৯২. হযরত খাল্লাদ বিন আমর (রাঃ) ১৯৩. হযরত উকবাহ্ বিন আমের (রাঃ) ১৯৪. হযরত সাবেত বিন খালেদ (রাঃ) ১৯৫. হযরত বিশ্র বিন বারা (রাঃ) ১৯৬. হযরত তোফায়েল বিন মালেক (রাঃ) ১৯৭. হযরত তোফায়েল বিন নোমান (রাঃ) ১৯৮. হযরত সিনান বিন সাঈফী (রাঃ) ১৯৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাদ (রাঃ) ২০০. হযরত উৎবা বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) ২০১. হযরত জাব্বার বিন সাখর (রাঃ) ২০২. হযরত খারেজা বিন হিময়ার (রাঃ) ২০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন হুমায়্যির (রাঃ) ২০৪. হযরত ইয়াযিদ বিন মুনযির (রাঃ) ২০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন নোমান (রাঃ) ২০৬. হযরত জহহাক বিন হারেসা (রাঃ) ২০৭. হযরত আসওয়াদ বিন যুরাইক (রাঃ) ২০৮. হযরত মা’বাদ বিন কায়েস (রাঃ) ২০৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস খালেদ (রাঃ) ২১০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দে মানাফ্ (রাঃ) ২১১. হযরত খালিদ বিন কায়েস (রাঃ) ২১২. হযরত সুলাইম বিন আমর (রাঃ) ২১৩. হযরত কুতবা বিন আমের (রাঃ) ২১৪. হযরত আন্তারা মাওলা বনী সুলাইম (রাঃ) ২১৫. হযরত আব্স বিন আমের (রাঃ) ২১৬. হযরত সা’লাবা বিন আনামা (রাঃ) ২১৭. হযরত আবুল য়াসার বিন আমর (রাঃ) ২১৮. হযরত উবাদা বিন কয়েস (রাঃ) ২১৯. হযরত আমর বিন তাল্ক (রাঃ) ২২০. হযরত মুআজ বিন জাবাল (রাঃ) ২২১. হযরত কয়েস বিন মুহ্সান (রাঃ) ২২২. হযরত হারেস বিন কয়েস (রাঃ) ২২৩. হযরত সা’দ বিন উসমান (রাঃ) ২২৪. হযরত উকবা বিন উসমান (রাঃ) ২২৫. হযরত জাকওয়ান বিন আবদে কয়েস (রাঃ) ২২৬. হযরত মুআজ বিন মায়েস (রাঃ) ২২৭. হযরত আয়েজ বিন মায়েজ (রাঃ) ২২৮. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ) ২২৯. হযরত রিফাআ বিন রাফে’ (রাঃ) ২৩০. হযরত খাল্লাদ বিন রাফে’ (রাঃ) ২৩১. হযরত উবায়েদ বিন যায়েদ (রাঃ) ২৩২. হযরত যিয়াদ বিন লাবীদ (রাঃ) ২৩৩. হযরত ফারওয়াহ বিন আমর (রাঃ) ২৩৪. হযরত আতিয়্যা বিন নুওয়াইরা (রাঃ) ২৩৫. হযরত খলিফা বিন আদী (রাঃ) ২৩৬. হযরত উমারা বিন হায্ম (রাঃ) ২৩৭. হযরত সুরাকা বিন কা’ব (রাঃ) ২৩৮. হযরত হারেসা বিন নোমান (রাঃ) ২৩৯. হযরত সুলাইম বিন কয়েস (রাঃ) ২৪০. হযরত সুহাইল বিন কয়েস (রাঃ) ২৪১. হযরত আদী বিন আবুয্ যাগ্বা (রাঃ) ২৪২. হযরত মাসউদ বিন আউস (রাঃ) ২৪৩. হযরত আবু খুজাইমাহ্ বিন আউস (রাঃ) ২৪৪. হযরত রাফে’ বিন হারেস (রাঃ) ২৪৫. হযরত মুআওয়াজ বিন হারেস (রাঃ) ২৪৬. হযরত নোমান বিন আমর (রাঃ) ২৪৭. হযরত আমের বিন মুখাল্লাদ (রাঃ) ২৪৮. হযরত উসাইমা আশযায়ী (রাঃ) ২৪৯. হযরত ওদীআহ বিন আমর (রাঃ) ২৫০. হযরত আবুল হামরা মাওলা হারেস (রাঃ) ২৫১. হযরত সা’লাবা বিন আমর (রাঃ) ২৫২. হযরত সুহাইল বিন আতীক (রাঃ) ২৫৩. হযরত হারেস বিন আতীক (রাঃ) ২৫৪. হযরত হারেস বিন ছিম্মাহ (রাঃ) ২৫৫. হযরত উবাই বিন কা’ব (রাঃ) ২৫৬. হযরত আনাস বিন মুআজ (রাঃ)] ২৫৭. হযরত আউস বিন সামেত (রাঃ) ২৫৮. হযরত আবু তাল্হা যায়েদ বিন ছাহল (রাঃ) ২৫৯. হযরত হারেসা বিন সুরাকা (রাঃ) ২৬০. হযরত আমর বিন সা’লাবা (রাঃ) ২৬১. হযরত সাবেত বিন খানছা (রাঃ) ২৬২. হযরত আমের বিন উমাইয়াহ্ (রাঃ) ২৬৩. হযরত মুহ্রিয বিন আমের (রাঃ) ২৬৪. হযরত সাওয়াদ বিন গাযিয়্যাহ (রাঃ) ২৬৫. হযরত আবু যায়েদ কয়েস বিন সাকান (রাঃ) ২৬৬. হযরত আবুল আওয়ার বিন হারেস (রাঃ) ২৬৭. হযরত হারাম বিন মিল্হান (রাঃ) ২৬৮. হযরত কয়েস বিন আবী সা’সা (রাঃ) ২৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কা’ব (রাঃ) ২৭০. হযরত উসাইমা আসাদী (রাঃ) ২৭১. হযরত আবু দাউদ উমাইর (রাঃ) ২৭২. হযরত সুরাকা বিন আমর (রাঃ) ২৭৩. হযরত কয়েস বিন মাখলাদ (রাঃ) ২৭৪. হযরত নোমান বিন আব্দে আমর (রাঃ) ২৭৫. হযরত জহ্হাক বিন আব্দে আমর (রাঃ) ২৭৬. হযরত সুলাইম বিন হারেস (রাঃ) ২৭৭. হযরত জাবের বিন খালেদ (রাঃ) ২৭৮. হযরত সা’দ বিন সুহাইল (রাঃ) ২৭৯. হযরত কা’ব বিন যায়েদ (রাঃ) ২৮০. হযরত বুজাইর বিন আবি বুজাইর (রাঃ) ২৮১. হযরত ইৎবান বিন মালেক (রাঃ) ২৮২. হযরত মুলাইল বিন ওবারাহ (রাঃ) ২৮৩. হযরত হেলাল বিন মুআল্লাহ (রাঃ) ২৮৪. হযরত আনাছাহ আল হাবাশী (রাঃ) ২৮৫. হযরত বাহ্হাস বিন সালাবা (রাঃ) ২৮৬. হযরত জাব্র বিন আতীক (রাঃ) ২৮৭. হযরত আবু আয়্যুব আনছারী (রাঃ) ২৮৮. হযরত খিরাশ ইবনুস সিম্মাহ (রাঃ) ২৮৯. হযরত খুরাইম বিন ফাতেক (রাঃ) ২৯০. হযরত খুবাইব বিন ইছাফ (রাঃ) ২৯১. হযরত খুবাইব বিন আদী (রাঃ) ২৯২. হযরত খিদাশ বিন কাতাদা (রাঃ) ২৯৩. হযরত খালেদ বিন সুওয়াইদ (রাঃ) ২৯৪. হযরত রাফে’ বিন আল মুআল্লা (রাঃ) ২৯৫. হযরত রুখায়লা বিন সা’লাবা (রাঃ) ২৯৬. হযরত সাব্রা বিন ফাতেক (রাঃ) ২৯৭. হযরত সুহাইল বিন রাফে’ (রাঃ) ২৯৮. হযরত সুওয়াইবিত বিন হারমালা (রাঃ) ২৯৯. হযরত তুলাইব বিন উমাইর (রাঃ) ৩০০. হযরত উবাদা বিন খাশখাশ কুজায়ী (রাঃ) ৩০১. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জুবাইর বিন নোমান (রাঃ) ৩০২. হযরত আবু সালামা বিন আব্দুল আসাদ (রাঃ) ৩০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্স (রাঃ) ৩০৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উনায়েছ (রাঃ) ৩০৫. হযরত উবাইদ বিন সা’লাবা (রাঃ) ৩০৬. হযরত উমায়ের বিন নিয়ার (রাঃ) ৩০৭. হযরত মালেক বিন আবী খাওলা (রাঃ) ৩০৮. হযরত মালেক বিন কুদামা (রাঃ) ৩০৯. হযরত মুরারা বিন রবী’ (রাঃ) ৩১০. হযরত মাসউদ বিন খাল্দাহ (রাঃ) ৩১১. হযরত মুআজ বিন হারেস (রাঃ) ৩১২. হযরত মা’কিল বিন আলমুনযির (রাঃ) ৩১৩. হযরত নোমান বিন আছার বিন হারেছ (রাঃ) সূত্র:-.* বুখারী শরীফ (কিতাবুল মাগাযী) * আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া * উসদুল গা-বা ফী মা’রিফাতিস্ সাহাবা * আল-ইসাবা ফী মা’রিফাতিস্ সাহাবা

কুষ্টিয়ার মিরপুর রেল ষ্টেশনে ৩২ বিজিবি’র অভিযান ॥ এক কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য উদ্ধার

 স্টাফ রিপোর্টার, ০২ জানুয়ারী ১৪ ইং-কুষ্টিয়ার ৩২ বিজিবি’র টহল দল অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকার ভারতীয় পন্য উদ্ধার করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়ার মিরপুর রেল ষ্টেশনে ট্রেনে তল্লাশী করে বিভিন্ন প্রকারের ভারতীয় শাড়ী, শাল, শীতের কাপড় এবং জিরা উদ্ধার করে। যার মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা বলে বিজিবি সুত্রে জানা গেছে।
৩২ বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন হতে লেঃ কর্নেল মোঃ মনিরুজ্জামান, পিএসসি এবং তত্ত্বাবধানে নায়েব সুবেদার মোঃ মোকছেদুল আলম এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর রেল ষ্টেশনে পঞ্চগড় থেকে খুলনা গামী আন্তঃ নগর চলন্ত ট্রেনে (সীমান্ত এক্সপ্রেস) তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করা করে।

নতুন বই বিতরণ করলেন কুষ্টিয়ার পৌর মেয়র আনোয়ার আলী

স্টাফ রিপোর্টার ॥
কুষ্টিয়া পৌরসভার জননন্দিত মেয়র আনোয়ার আলী বলেছেন, হরতাল অবরোধ সহ অনেক দুর্যোগের মধ্যেও সঠিক সময়ে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বই বিতরণ করার জন্য প্রথমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানায়। মেয়র বলেন, বর্তমান সরকার শিাকে সব চেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। কারণ শিা ছাড়া জাতি বা নিজের উন্নতি কখনো সম্ভব নয়। আগামীতে এই সরকার মতায় আসলে শিা খাতে আরো উন্নতি হবে। তিনি শিার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা নতুন বই নিয়ে সকলেই নিয়মিত স্কুলে আসবে এবং ঠিকমত লেখাপড়া করবে। ভাল করে লেখাপড়া করে তোমরাই একদিন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মজীবনসহ সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। মেয়র অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আপনার সন্তানকে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন। তারা যেন সমাজ তথা দেশ ও জাতির উন্নয়ন করতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ৩নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আনোয়ার আলী এসব কথা বলেন। ৩নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আকতার জাহান এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রধান শিকিা মাসুমা সুলতানা, সহকারী শিকবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সমাজ সেবক তরুন হোসেন। অনুষ্ঠান শেষে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বই তুলে দেন মেয়র আনোয়ার আলী ও স্কুলের সভাপতি আকতার জাহান।


কুষ্টিয়ায় আইনজীবিদের পতাকা মিছিল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সুপ্রিম কোর্টে হামলা ও আইনজীবিদের উপর নির্যাতন চালিয়ে আহত করার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় আইনজীবিদের পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবীণ আইনজীবি এ্যাড. আমিরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে মিছিলে অংশ গ্রহণ করে কুষ্টিয়ার আইনজীবিরা। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, এ্যাড. কুতুবুল আলম নতুন, এ্যাড. খাদেমূল ইসলাম অন্যান্য আইনজীবিরা।


কুষ্টিয়ায় ১৮ দলীয় জোটের বিােভ মিছিলে পুলিশী বাধা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পুলিশী বাধার মুখে কুষ্টিয়ায় অবরোধের সমর্থনে ১৮ দলীয় জোটের বিােভ মিছিল হয়েছে। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি অধ্য সোহরাব উদ্দিনের নেতৃত্বে জোটের নেতা-কর্মীরা শহরের মজমপুর গেট থেকে একটি মিছিল নিয়ে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়ক প্রদণি করা জন্য বের হয়। এ সময় মিছিলটি কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সামনে পৌঁছলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় সেখানে ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পরে অবরোধকারীরা বাধ্য হয়ে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে পুনরায় মজমপুর গেটে এসে এক সমাবেশে মিলিত হয়।

বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৪

চুক্তির 18 বছর পরও পানির ন্যায্য হিস্যা পায়নি বাংলাদেশ


কুদরতে খোদা সবুজ : বাংলাদেশ ভারত পানি চুক্তির 18 বছরেও চুক্তি অনুযায়ী পানি পায়নি বাংলাদেশ। তবু প্রতি বছর চলে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে পদ্মা নদীতে পানি পরিমাপ। ওয়াটার হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ ও ভারতের ৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ টিম পাকশী পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টের ৮ হাজার ফিট আপে এই পানির পরিমাপ ও পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। ভারতের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সে দেশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস কে চতুরবেদী ও সহকারী প্রকৌশলী জি ভেন্যু গোপাল এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ওয়াটার হাইড্রোলজি বিভাগ পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রইচ উদ্দিন ও শাখা অফিসার মো: মোফাজ্জল হোসেন। সুত্র জানায়, বাংলাদেশ ভারত পানি চুক্তির 18 বছরেও চুক্তি অনুযায়ী পানি পায়নি বাংলাদেশ। এবারো বাংলাদেশ পদ্মা নদীর পানি ৮-১০ হাজার কিউসেক কম পেয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী পানি না পাওয়ায় ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে পদ্মা গড়াই নদীসহ ১৮টি নদী পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। পদ্মা নদীতে পানি শূন্যতার কারণে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ১১টি